মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

এক নজরে আমাদের ভাঙ্গুড়া উপজেলাঃ

অবস্থানঃ

ভাঙ্গুড়া উপজেলার অবস্থান  ২৪°২২৫০' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°৪০০০' পূর্ব  দ্রাঘিমাংশ রেখায় অবস্তিত।  ১৯৮০ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাঙ্গুড়া থানার কার্যক্রম চালু হয় এবং  ১৯৮১ সালে ভাঙ্গুড়া থানা কে উপজেলায় রুপান্তর করা হয় । অত্র  উপজেলার উত্তরে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলা, দক্ষিণে পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলা, পূর্বে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলা এবং পশ্চিমে পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলা অবস্থিত।

উপজেলার ঐতিহ্যঃ

ভাংগুড়া চলনবিল বিধৌত একটি জনপদ। ভাংগুড়া উপজেলা ০৫টি ইউনিয়ন (ভাংগুড়া, পার-ভাংগুড়া, অষ্টমনিষা, খানমরিচ, দিলপাশার) ও ০১টি পৌরসভা (ভাংগুড়া পৌরসভা) নিয়ে গঠিত। মূলতঃ গুমানী এবং বড়াল নদী বেষ্টিত এই ভূ-ভাগ চলনবিল সন্নিহিত হওয়ায় প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে তেমন সাক্ষ্য পাওয়া যায় না। তবে এর বুক চিরে খুলনা-ঢাকা, রাজশাহী-ঢাকা, দিনাজপুর-ঢাকা রেল যোগাযোগ বৃটিশদের দ্বারা তৈরী হওয়ায় তৎকালীন সময়ে ভাংগুড়ার সাথে কলিকাতার যোগাযোগ ছিল। ভাংগুড়া নামটা নিয়ে কিংবদন্তী প্রচলিত আছে।অনেকে বলেন- বড়াল এবং গুমানী নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা হওয়ায় এর প্রাচীন নাম ছিল ভাংগুরিয়া। এভাবে ভাংগুরিয়া থেকে ভাংগুড়া নামের উদ্ভব হয়। বর্তমানে গুমানী ও বড়ালের সংযোগকারী একটি খালের স্রোতরেখা বিদ্যমান আছে। যার ফলে এই জনশ্রুতির পক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায়। অনেকে বলে থাকেন নেশা জাতীয় ভাং গাছের গুড়া এখানে প্রচুর পরিমাণ পাওয়া যেত সেজন্য এর নাম ভাংগুড়া হয়। এ মতের পক্ষে তেমন জোড়ালো প্রমাণ পাওয়া যায় না। চাটমোহর ও ফরিদপুর থানার কিছু অংশ নিয়ে ১৯৮১ সালে ভাংগুড়া উপজেলা গঠিত হয়। এর আগেভাংগুড়া ফরিদপুর থানার একটি ইউনিয়ন ছিল। ভাংগুড়া আপগ্রেড থানা হয় ১৯৮২ সালে। ভাংগুড়া গ্রামের নামানুসারে ভাংগুড়া উপজেলার নাম করণ করা হয়েছে।ভাংগুড়া উপজেলার উত্তরে- তাড়াশ, দক্ষিণে-ফরিদপুর, পশ্চিমে- চাটমোহর ও পূর্বে- উল্লাপাড়া উপজেলা অবস্থিত। ভাংগুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নটি চলন বিলের মধ্যে অবস্থিত এবং ঐ এলাকার পুকুর খননের সময় কয়েক বছর আগে বিভিন্ন ধরনের পৌরানিক দেবদেবীর মূর্তি পাওয়া গেছে। যা জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। ফলে এই ভূমি উন্নত সভ্যতার সংস্পর্শে থাকা স্বাভাবিক। উত্তরাঞ্চলের পুন্ড্রনগর সভ্যতার সাথে তার যোগাযোগ থাকতে পারে বলে মনে করা হয়। বর্তমানে ভাংগুড়া সড়ক,রেল এবং নদীপথে ঢাকা-খুলনা-রাজশাহী-নাটোর-দিনাপজুর-রংপুর-বগুড়ার সাথে যুক্ত। এ কারণে বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলের সাথে ভাংগুড়ার উন্নত যোগাযোগ থাকায় এ উপজেলায় উন্নয়নের অমিত সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। পরিকল্পিত নগরায়ন  ভাংগুড়া শহরকে এ অঞ্চলের একটি উন্নত মানব বসতি কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলতে পারে।

 

আদম শুমারী ও জেলা পরিসংখ্যান রিপোর্ট - ২০১১ অনুসারে হাউজহোল্ড ও জনসংখ্যাঃ

 

ক্রঃ নং

পৌরসভা/ ইউনিয়নের  নামঃ

হাউজহোল্ড সংখ্যা

জনসংখ্যা

মোট

সাধারন

প্রতিস্টান

অন্যান্য

মোট

পুরুষ

মহিলা

ভাঙ্গুড়া পৌরসভা

৪৭১২

৪৬৬৪

১২

৩৬

২০৬০৬

১০২৩৭

১০৩৬৯

ভাঙ্গুড়া + মন্ডতোষ ইউনিয়ন

৫৮৮২

৫৮৬৯

১০

২৫৭৬৬

১২৮৮২

১২৮৮৪

দিলপাশার ইউনিয়ন

৩৬০৭

৩৬০৭

১৫৪৩১

৭৫৮৪

৭৮৪৭

অষ্টমনীষা ইউনিয়ন

৪১৬৪

৪১৬২

১৮০৬৭

৯১২৭

৮৯৪০

খানমরিচ ইউনিয়ন

৬৫৭০

৬৫৬১

২৭৬৩১

১৩৮৩০

১৩৮০১

পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন

৩৯১৮

৩৯১১

১৬৯৩২

৮২৪০

৮৬৯২

মোটঃ

২৮৮৫৩

২৮৭৭৪

১৯

৬০

১২৪৪৩৩

৬১৯০০

৬২৫৩৩

 

 

 

 

 

 

 

 

আয়তনঃ

১২০.০২ বর্গ কিঃ মিঃ (প্রায়)।

জনসংখ্যাঃ

১,২৪,৩৩ জন (প্রায়)।

পুরুষ=৬৬,৯০০ জন ও মহিলা=৬২,৫৩৩ জন

মুসলমান ৯৪%, হিন্দু ৫.৮% ও অন্যান্য ০.২%।

জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারঃ

২.২৩% (প্রায়)।

ভূ-প্রকৃতিঃ

উপজেলার বেশির ভাগ এলাকা চলন বিলের অংশ বিশেষ।

প্রধান পেশা ঃ

কৃষি কাজ। তবে কৃষি নির্ভর প্রতিটি পরিবারে উন্নত জাতের গাভী পালন হয়ে থাকে। এখানে মৎস্যজীবি (হালদার) এর সংখ্যাও উল্লেখ যোগ্য । অত্র এলাকায় চারটি দুগ্ধ শীতলিকরণ ইউনিট রয়েছে। যথাঃ

০১) মিল্ক ভিটা

০২) ব্রাক চিলিং সেন্টার

০৩) প্রাণ চিলিং সেন্টার ও

০৪) আকিজ চিলিং সেন্টার।

শিক্ষার হারঃ

৪৪.০% ।

পৌরসভা সংখ্যাঃ

০১ টি ।

ইউনিয়ন সংখ্যাঃ

০৫ টি ।

মৌজার সংখ্যাঃ

৭০ টি ।

গ্রামের সংখ্যাঃ

১২২টি ।

পরিবার সংখ্যাঃ

২৮,৮৫৩ ট।

সরকারি হাসপাতালঃ

০১ টি।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র/ক্লিনিকঃ

স্বাস্থ্যকেন্দ্র-৯ টি,

কমিউনিটি ক্লিনিক-১১ টি ও

বেসরকারি কমিউনিটি ক্লিনিক-১১ টি।

ডাকঘরঃ

উপজেলা পোস্ট অফিস= ০১ টি ও

শাখা অফিস= ০৮ টি

ডাক কোড নং-৬৬৪০।

তথ্য ও সেবা কেন্দ্রঃ

০৫ টি।

নদনদীঃ

বড়াল ও গুমানী নদী। অত্র উপজেলায় প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল নদি পথ আসে।

ব্যাংকের শাখাঃ

সোনালী ব্যাংক= ০১ টি, অগ্রণী ব্যাংক= ০১ টি,

গ্রামীণ ব্যাংক= ০৩ টি ও

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক= ০১ টি।

বাসষ্টেশনঃ

০১ টি। ভাঙ্গুড়া বাসষ্টেশন ।

রেলষ্টেশনঃ

০৪ টি । যথাঃ

            ০১)ভাঙ্গুড়া

           ০২)বড়ালব্রীজ

           ০৩)শরৎনগর

           ০৪)দিলপাশার

হাট-বাজারঃ

দৈনিক হাট =১২ টি

সাপ্তাহিক হাট =০৯ টি

 ধর্মীয় প্রতিস্ট্রানঃ

          মসজিদ=২১০ টি

          মন্দির= ৪৪ টি

           ঈদগাহ= ৫২ টি 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter