Sunday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫ এ ০১:৪৮ PM

এক নজরে

কন্টেন্ট: পাতা

এক নজরে আমাদের ভাঙ্গুড়া উপজেলাঃ

অবস্থানঃ

ভাঙ্গুড়া উপজেলার অবস্থান ২৪°২২৫০' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°৪০০০' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ রেখায় অবস্তিত। ১৯৮০ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাঙ্গুড়া থানার কার্যক্রম চালু হয় এবং ১৯৮১ সালে ভাঙ্গুড়া থানা কে উপজেলায় রুপান্তর করা হয় । অত্র উপজেলার উত্তরে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলা, দক্ষিণে পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলা, পূর্বে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলা এবং পশ্চিমে পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলা অবস্থিত।

উপজেলার ঐতিহ্যঃ

ভাংগুড়া চলনবিল বিধৌত একটি জনপদ। ভাংগুড়া উপজেলা ০৬টি ইউনিয়ন (ভাংগুড়া, পার-ভাংগুড়া, অষ্টমনিষা, খানমরিচ, দিলপাশার, মন্ডতোষ) ও ০১টি পৌরসভা (ভাংগুড়া পৌরসভা) নিয়ে গঠিত। মূলতঃ গুমানী এবং বড়াল নদী বেষ্টিত এই ভূ-ভাগ চলনবিল সন্নিহিত হওয়ায় প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে তেমন সাক্ষ্য পাওয়া যায় না। তবে এর বুক চিরে খুলনা-ঢাকা, রাজশাহী-ঢাকা, দিনাজপুর-ঢাকা রেল যোগাযোগ বৃটিশদের দ্বারা তৈরী হওয়ায় তৎকালীন সময়ে ভাংগুড়ার সাথে কলিকাতার যোগাযোগ ছিল। ভাংগুড়া নামটা নিয়ে কিংবদন্তী প্রচলিত আছে।অনেকে বলেন- বড়াল এবং গুমানী নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা হওয়ায় এর প্রাচীন নাম ছিল ভাংগুরিয়া। এভাবে ভাংগুরিয়া থেকে ভাংগুড়া নামের উদ্ভব হয়। বর্তমানে গুমানী ও বড়ালের সংযোগকারী একটি খালের স্রোতরেখা বিদ্যমান আছে। যার ফলে এই জনশ্রুতির পক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায়। অনেকে বলে থাকেন নেশা জাতীয় ভাং গাছের গুড়া এখানে প্রচুর পরিমাণ পাওয়া যেত সেজন্য এর নাম ভাংগুড়া হয়। এ মতের পক্ষে তেমন জোড়ালো প্রমাণ পাওয়া যায় না। চাটমোহর ও ফরিদপুর থানার কিছু অংশ নিয়ে ১৯৮১ সালে ভাংগুড়া উপজেলা গঠিত হয়। এর আগেভাংগুড়া ফরিদপুর থানার একটি ইউনিয়ন ছিল। ভাংগুড়া আপগ্রেড থানা হয় ১৯৮২ সালে। ভাংগুড়া গ্রামের নামানুসারে ভাংগুড়া উপজেলার নাম করণ করা হয়েছে।ভাংগুড়া উপজেলার উত্তরে- তাড়াশ, দক্ষিণে-ফরিদপুর, পশ্চিমে- চাটমোহর ও পূর্বে- উল্লাপাড়া উপজেলা অবস্থিত। ভাংগুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নটি চলন বিলের মধ্যে অবস্থিত এবং ঐ এলাকার পুকুর খননের সময় কয়েক বছর আগে বিভিন্ন ধরনের পৌরানিক দেবদেবীর মূর্তি পাওয়া গেছে। যা জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। ফলে এই ভূমি উন্নত সভ্যতার সংস্পর্শে থাকা স্বাভাবিক। উত্তরাঞ্চলের পুন্ড্রনগর সভ্যতার সাথে তার যোগাযোগ থাকতে পারে বলে মনে করা হয়। বর্তমানে ভাংগুড়া সড়ক,রেল এবং নদীপথে ঢাকা-খুলনা-রাজশাহী-নাটোর-দিনাপজুর-রংপুর-বগুড়ার সাথে যুক্ত। এ কারণে বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলের সাথে ভাংগুড়ার উন্নত যোগাযোগ থাকায় এ উপজেলায় উন্নয়নের অমিত সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। পরিকল্পিত নগরায়ন ভাংগুড়া শহরকে এ অঞ্চলের একটি উন্নত মানব বসতি কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলতে পারে।

জনশুমারি ও গৃহগণনা রিপোর্ট - ২০২২ অনুসারে হাউজহোল্ড ও জনসংখ্যাঃ

ক্রঃ নং

পৌরসভা/ ইউনিয়নের নামঃ

হাউজহোল্ড সংখ্যা

জনসংখ্যা


মোট

সাধারন

প্রতিষ্ঠান

অন্যান্য

মোট

পুরুষ

মহিলা

হিজড়া



ভাঙ্গুড়া পৌরসভা

৫৮৫৮

৫৭৯৬

০৭

৫৫

২৩৭২০

১১৪৪৫

১২২৭০



ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন৭

৪৯২১

৪৮৯৯

২১

২০১৯৪

৯৯৯৯

১০১৯৫


দিলপাশার ইউনিয়ন

৩৯০৫

৩৮৯৪

১৬০৯৬

৭৯১৫

৮১৮১


অষ্টমনিষা ইউনিয়ন

৪৮৩৯

৪৮২৭

১৯৫৩৪

৯৬৪২

৯৮৯২


খানমরিচ ইউনিয়ন

৭৩৭২

৭৩৬১

২৮৮৮৫

১৪০৭৯


১৪৮০৫


পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন

৪৭০৫

৪৬৮৪

১৬

১৮৯৯৩

৯২৫৯

৯৭৩৪



মন্ডতোষ ইউনিয়ন

২৩২৩


২৩০৯



১৩


৯১৫৪


৪৪৩৯


৪৭১৫




মোটঃ

৩৩৯২৩

৩৩৭৭০

২৪

১২৯

১৩৬৫৭৬

৬৬৭৭৮

৬৯৭৯২


আয়তনঃ

১৩৮.৩৬ বর্গ কিঃ মিঃ (প্রায়)।

জনসংখ্যাঃ

১,৩৬,৫৭৬ জন (প্রায়)।

পুরুষ=৬৬,৭৭৮ জন ও মহিলা=৬৯,৭৯২ জন

হিজড়া=০৬ জন

মুসলমান ৯৬.৬৪%, হিন্দু ৩.৩৪% ও অন্যান্য ০.০২%।

জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারঃ

০.৮৩% (প্রায়)।

ভূ-প্রকৃতিঃ

উপজেলার বেশির ভাগ এলাকা চলন বিলের অংশ বিশেষ।

প্রধান পেশা ঃ

কৃষি কাজ। তবে কৃষি নির্ভর প্রতিটি পরিবারে উন্নত জাতের গাভী পালন হয়ে থাকে। এখানে মৎস্যজীবি (হালদার) এর সংখ্যাও উল্লেখ যোগ্য । অত্র এলাকায় চারটি দুগ্ধ শীতলিকরণ ইউনিট রয়েছে। যথাঃ

০১) মিল্ক ভিটা

০২) ব্রাক চিলিং সেন্টার

০৩) প্রাণ চিলিং সেন্টার ও

০৪) আকিজ চিলিং সেন্টার।

শিক্ষার হারঃ

৬৭.৮৮% ।

পৌরসভা সংখ্যাঃ

০১ টি ।

ইউনিয়ন সংখ্যাঃ

০৬ টি ।

মৌজার সংখ্যাঃ

৬৯ টি ।

গ্রামের সংখ্যাঃ

১২৫টি ।

খানার সংখ্যাঃ

৩৩,৯৩৪ ট।

সরকারি হাসপাতালঃ

০১ টি।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র/ক্লিনিকঃ

স্বাস্থ্যকেন্দ্র-৯ টি,

কমিউনিটি ক্লিনিক-১১ টি ও

বেসরকারি কমিউনিটি ক্লিনিক-১১ টি।

ডাকঘরঃ

উপজেলা পোস্ট অফিস= ০১ টি ও

শাখা অফিস= ০৮ টি

ডাক কোড নং-৬৬৪০।

তথ্য ও সেবা কেন্দ্রঃ

০৫ টি।

নদনদীঃ

বড়াল ও গুমানী নদী। অত্র উপজেলায় প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল নদি পথ আসে।

ব্যাংকের শাখাঃ

সোনালী ব্যাংক= ০১ টি, অগ্রণী ব্যাংক= ০১ টি,

গ্রামীণ ব্যাংক= ০৩ টি ও

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক= ০১ টি।

বাসষ্টেশনঃ

০১ টি। ভাঙ্গুড়া বাসষ্টেশন ।

রেলষ্টেশনঃ

০৪ টি । যথাঃ

০১)ভাঙ্গুড়া

০২)বড়ালব্রীজ

০৩)শরৎনগর

০৪)দিলপাশার

হাট-বাজারঃ

দৈনিক হাট =১২ টি

সাপ্তাহিক হাট =০৯ টি

ধর্মীয় প্রতিস্ট্রানঃ

মসজিদ=২১০ টি

মন্দির= ৪৪ টি

ঈদগাহ= ৫২ টি



এক নজরে

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন